
নিজস্ব প্রতিবেদক
গাজীপুরের কাশিমপুরে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা হলেও এক মাস পেরিয়ে গেলেও উদ্ধার হয়নি ছিনিয়ে নেওয়া ক্যামেরা, স্মার্টফোনসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম। শনাক্তের দাবি করা ব্যক্তিরাও এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। এমনকি হামলার ঘটনাস্থলের কাছাকাছি একটি ভবনে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজও পুলিশ উদ্ধার করতে পারেনি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর।
গত ২৩ জুলাই কাশিমপুরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পলাশ হাউজিং এলাকার আটতলা ভবনের সামনে সাংবাদিক মো. জামাল আহমেদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, পূর্বপরিকল্পিতভাবে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল তিনটি প্রাইভেটকারে এসে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
অভিযোগ রয়েছে, হামলার একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা সাংবাদিক জামালের কাছে থাকা দুটি স্মার্টফোন, একটি ক্যামেরা, দুটি প্রেস আইডি কার্ড, অফিসিয়াল লোগো এবং দুটি ব্যাগসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় কাশিমপুর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। তবে ঘটনার এক মাসের বেশি সময় পার হলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি এবং ছিনিয়ে নেওয়া মালামালও উদ্ধার হয়নি বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো. জামাল আহমেদ বলেন, হামলার ঘটনায় দুজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের বিষয়ে পুলিশকে জানানো হলেও এখনো তারা গ্রেপ্তার হয়নি।
এদিকে, হামলার ঘটনাস্থলের পাশে থাকা আটতলা ভবনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ উদ্ধার না হওয়ায় তদন্তের অগ্রগতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক।
এ বিষয়ে কাশিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোল্লা খালেদ হোসেন বলেন, সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এখনো কোনো আসামিকে শনাক্ত করা যায়নি। আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সাংবাদিক সমাজের দাবি, দ্রুত সিসি ক্যামেরার ফুটেজ উদ্ধার, হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং ছিনিয়ে নেওয়া ক্যামেরা, স্মার্টফোনসহ সব সরঞ্জাম উদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।