
নিজস্ব প্রতিনিধি
গাজীপুরের কাশিমপুরে করিম-গফুরের ছত্রছায়ায় প্রতারণা থানায় লিখিত অভিযোগ ভুক্তভোগী মোমিন মোল্লার।
গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুরে জমি বিক্রির পর ক্রেতাকে সম্পূর্ণ জমি বুঝিয়ে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতা মোঃ আয়নাল হকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কাশিমপুর থানা বিএনপির সহসভাপতি করিম ও গফুরের ছত্রছায়ায় থেকে আয়নাল হক এমন কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মোঃ মোমিন মোল্লা। তাঁর দাবি, এ ধরনের ঘটনায় বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর থানাধীন ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সারদাগঞ্জ এলাকায় জমি কেনেন ৬৩ বছর বয়সী মোমিন মোল্লা। তাঁর অভিযোগ, জমি কেনার পরও চুক্তি অনুযায়ী সম্পূর্ণ জমি বুঝে পাননি তিনি। অবশিষ্ট জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য একাধিকবার অনুরোধ জানালেও সমস্যার সমাধান হয়নি।
সমাধানের আশ্বাসেও মেলেনি প্রতিকার
ভুক্তভোগী মোমিন মোল্লার দাবি, জমিসংক্রান্ত বিরোধের সমাধানের আশায় তিনি কাশিমপুর থানা বিএনপির সহসভাপতি করিম ও গফুরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাঁরা বিভিন্ন সময় সমাধানের আশ্বাস দিলেও কার্যকর কোনো সমাধান পাননি বলে অভিযোগ তাঁর।
মোমিন মোল্লার আরও অভিযোগ, অবশিষ্ট জমি বুঝিয়ে না দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে এবং তাঁকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
থানায় লিখিত অভিযোগ
মোমিন মোল্লা জানান, জমিসংক্রান্ত বিরোধের প্রতিকার চেয়ে তিনি কাশিমপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে মোঃ আয়নাল হকসহ চারজনের নাম উল্লেখ করেছেন বলে দাবি তাঁর।
তিনি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, জমির দলিল ও অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে নিজের ক্রয়কৃত অবশিষ্ট জমি বুঝে পেতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের আশঙ্কা
ভুক্তভোগীর দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে কেউ যদি সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার ক্ষুণ্ন করেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ ধরনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় সংশ্লিষ্ট নেতাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
তবে করিম ও গফুরের ছত্রছায়ায় থেকে আয়নাল হক জমিসংক্রান্ত অনিয়ম করছেন—মোমিন মোল্লার এমন অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে যুবদল নেতা মোঃ আয়নাল হক এবং বিএনপি নেতা করিম ও গফুরের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি, লিখিত অভিযোগের বিষয়ে কাশিমপুর থানা পুলিশের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি ।