
মোঃ আকরাম হোসেন স্টাফ রিপোর্টার
বিগত ২ বৎসর পূর্বে স্ত্রীর বাবার গস্তিত ২ লক্ষ টাকা ও প্রায় ৪ লক্ষ টাকার গহনা নিয়ে উধাও হয়ে যায় সোহাগ নামের এক প্রতারক। মোঃ সোহাগ পিতা ইউসুফ মজুমদার গ্রাম পদ্মা মনীষা ইউনিয়ন ৬ নং কাশিয়া থানা বোরহানউদ্দিন জেলা ভোলা।তাৎক্ষনিক প্রতারক সোহাগ এর স্ত্রী তামান্না বাদী হয়ে প্রতারক স্বামী সোহাগ এর বিরুদ্ধে পটুয়াখালী বিজ্ঞ ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন,মামলার হাত থেকে বাঁচতে স্ত্রীর স্বর্ন গহনা ও নগদ দুই লক্ষ টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মামলা মিমাংসা করে স্ত্রীকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায় প্রতারক সোহাগ।
সংসার জীবনে সোহাগ তামান্না দম্পত্তির ঘরে একটি ৬ বছর বয়সী পুত্র সন্তান রয়েছে।প্রতারক সোহাগ ও তার পরিবার অভিনব কায়দায়.তামান্নাকে তাড়াতে মরিয়া হয়ে উঠে,পারিবারিক অর্থনৈতিক সমস্যা দেখিয়ে এনজিও নামক সমিতি থেকে লোন ওঠানোর কথা বলে কৌশলে স্ত্রী তামান্নার নিকট থেকে ফাকা স্টাম্পে কয়েকটা সই নিয়ে নেয়।তারপরই নেমে আসে.তামান্না এর জীবনে অমানবিক নির্যাতন,এখন সে ফাকা স্টাম্পের কৌশল কাজে লাগিয়ে স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে মর্মে সাফ জানিয়ে দেয়।আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আদালতের বারান্দায় আবারো তামান্না।পটুয়াখালী বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট বরাবর বিগত ২৮/০৬/২০২৫ তাং একটি মামলা রুজু করেন মামলায় প্রধান আসামী ১ নং সোহাগ পিতা ইউসুফ আলী ২ নং মোস্তফা পিতা নওয়াব আলী ৩ নং শাহনাজ বেগম স্বামী ইউসুফ আলীর বিরুদ্ধে যৌতুক ও নারী নির্যাতন আইনে একটি মামলা রুজু করেন।যাহার মামলা নং সি আর ৪০৭ - ২০২৫।
অসহায় তামান্না চায় বিচার প্রতারককে গ্রেপ্তার পূর্বক আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন। পাশাপাশি বাটপারি করে তালাক দেওয়া,ফাকা স্টাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া তদন্ত পূবক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন ছোট্ট শিশুকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তামান্না।
বিঃদ্রঃ উক্ত মামলাটি প্রতারক সোহাগ এর নামে মিরপুর পল্লবী থানায় একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা+ ওয়ারেন্ট ভুক্ত হয়েছে।