
নিজস্ব প্রতিনিধি
সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে বিদেশি গণমাধ্যমে কাজ করার নামে বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ ও পাচারের অভিযোগ উঠেছে সিফাত মাহমুদ ফাহিম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি নিজেকে সাংবাদিক পরিচয়ে পরিচিত করে ভারতের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে কাজ করার কথা বলে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের তথ্য সংগ্রহ করে থাকেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই ব্যক্তি সাংবাদিকতার আড়ালে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিদেশে পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। এ নিয়ে সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তাদের মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং অবিলম্বে বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।
এছাড়া সিফাত মাহমুদ ফাহিমের বিরুদ্ধে আরেকটি গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মিডিয়ার প্রেস কার্ড বা সাংবাদিক পরিচয়পত্র বানিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। পরে আর যোগাযোগ না করা কিংবা ভুয়া পরিচয়পত্র সরবরাহের অভিযোগও করেছেন অনেকে।
সাধারণ জনগণের দাবি, সাংবাদিক পরিচয়ের অপব্যবহার করে কেউ যেন রাষ্ট্রের তথ্য পাচার বা প্রতারণা করতে না পারে—এ জন্য সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
এ বিষয়ে এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।