
ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় আজিজ ফিলিং স্টেশনকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী জ্বালানি তেল নিতে গিয়ে সেখানে উপস্থিত সাধারণ মানুষের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।
নিয়ম অনুযায়ী যানবাহন ছাড়া বোতল বা গ্যালনে তেল বিক্রি নিষিদ্ধ থাকলেও তারা গ্যালন নিয়ে তেল নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে জানা গেছে। একপর্যায়ে তারা ফিলিং স্টেশনের অফিস কক্ষে ঢুকে পাম্প কর্তৃপক্ষের ওপর হামলা চালান। অভিযোগ রয়েছে, কর্মচারীদের ভেতর থেকে টেনে-হিঁচড়ে বাইরে এনে মারধর করা হয়।
ঘটনার সময় আশুলিয়া থানা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থাকলেও তারা কার্যকরভাবে হস্তক্ষেপ করেনি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এতে পুলিশের দায়িত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় সাংবাদিক জাহাঙ্গীর প্রধান ভিডিও ধারণ করতে গেলে তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজ মুছে ফেলা হয় এবং তাকে লাঞ্ছিত করা হয়। এ ঘটনায় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কীভাবে এমন আচরণ করার সাহস পায়? আইনের তোয়াক্কা না করে হামলা ও সাংবাদিক লাঞ্ছনার মতো ঘটনা কি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য?
এ বিষয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি জিতু জানান, অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনার জন্য তারা দুঃখিত এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা সাংবাদিক জাহাঙ্গীর প্রধানের কাছে ফোন করে ক্ষমা চেয়েছে।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।