
টানা অভিযানে সাফল্য, মাঝপথেই বদলি - নেপথ্যে কী, প্রশ্ন এলাকাজুড়ে
আশুলিয়া এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিক অভিযানে একের পর এক অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং চিহ্নিত শুটার গ্রেপ্তারের ঘটনায় মাদক সিন্ডিকেটে বড় ধরনের ধস নেমেছে। আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুবেল হাওলাদারের নেতৃত্বে পরিচালিত এসব অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় একটি প্রভাবশালী চক্রের কার্যক্রম ভেঙে পড়তে শুরু করে বলে স্থানীয়দের দাবি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার এবং কুখ্যাত কয়েকজন শুটারকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর ফলে এলাকায় স্বস্তি ফিরতে শুরু করলেও অপরাধ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে তৈরি হয় অস্থিরতা।
এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ওসি রুবেলের হঠাৎ বদলির ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, টানা অভিযানে অপরাধ চক্রের ওপর চাপ বাড়তে থাকায় একটি প্রভাবশালী মহল অস্বস্তিতে পড়ে এবং সেই প্রেক্ষাপটেই এই বদলির সিদ্ধান্ত এসেছে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
তারা আরও মনে করছেন, অপরাধ দমনে দৃশ্যমান অগ্রগতির মাঝপথে দায়িত্ব পরিবর্তন অভিযানের ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই বদলিকে নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ বলেই উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, আশুলিয়ায় সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী কার্যক্রম যখন দৃশ্যমান সাফল্যের মুখ দেখছিল, তখন এমন বদলি স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তাদের ভাষ্য, যদি কোনো অদৃশ্য চাপ বা প্রভাব থেকে থাকে, তবে তা তদন্ত করে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
এদিকে প্রশ্ন রয়ে গেছে - আশুলিয়াকে সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত করার এই অভিযানের ধারাবাহিকতায় কেন ছেদ পড়ল, এবং কারা এতে লাভবান হতে পারে - সে আলোচনাই এখন এলাকাজুড়ে।