
আলোচিত সন্ত্রাসী শুটার সাদ্দাম গ্রেপ্তার হওয়ার পরও থামেনি তার বাহিনীর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। বরং স্থানীয়দের অভিযোগ, সাদ্দামের অনুগত বাহিনীর সদস্যরা এখন আরও বেপরোয়া হয়ে এলাকায় নৈরাজ্য, ভয়ভীতি ও ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে। সাধারণ মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শুটার সাদ্দাম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ভয়ংকর এক সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে। হত্যা, হামলা, মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও অস্ত্রের দাপটে পুরো এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করেছিল তার বাহিনী। র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর এলাকাবাসী কিছুটা স্বস্তি পেলেও এখনো তার বাহিনীর সক্রিয় সদস্যরা বিভিন্নভাবে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, শুটার সাদ্দাম জামিনে মুক্তি পেলে এলাকায় আবারও রক্তের বন্যা বয়ে যেতে পারে। তাদের দাবি, সাদ্দাম এতটাই ভয়ংকর যে তার ফিরে আসা মানেই নতুন করে খুন, হামলা ও সন্ত্রাসের বিস্তার। ইতোমধ্যে তার অনুসারীরা প্রকাশ্যে দাপট দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে হুমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সাদ্দামের বাহিনীর সদস্যরা এখনো মাদক ব্যবসা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং অবৈধ প্রভাব বিস্তার অব্যাহত রেখেছে। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
সচেতন মহল বলছে, শুধু শুটার সাদ্দামকে গ্রেপ্তার করলেই হবে না, তার পুরো বাহিনী ও অর্থের উৎস ধ্বংস করতে হবে। বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার এখনই সময়। অন্যথায় যে কোনো মুহূর্তে এলাকায় বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বা প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তারা দাবি জানিয়েছেন, শুটার সাদ্দাম যেন কোনোভাবেই জামিন না পায়।