
নিজস্ব প্রতিনিধি
গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর এলাকায় ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে মারধরের পর হত্যার অভিযোগে স্বামী শরীফুল ইসলাম (২২) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (৫ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কাশিমপুর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সুরাবাড়ী ভূমিহীন আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
নিহত শারমীন আক্তার (১৯) মারধরের শিকার হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন নিহতের বড় ভাই ফারুক। এরপর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মরদেহ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শারমীন ও শরীফুল একই এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তাদের সংসারে প্রায়ই কলহ লেগে থাকত এবং অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া হতো। এলাকাবাসীর দাবি, শরীফুল প্রায়ই শারমীনকে মারধর করতেন। এমনকি অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তার পেটে লাথি মারার ঘটনাও ঘটে, যার ফলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে শারমীন।
নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল বলেও জানান স্থানীয়রা। এ কারণে তিনি প্রায়ই কর্মস্থল গার্মেন্টসে অনুপস্থিত থাকতেন।
নিহতের বড় ভাই ফারুক বলেন, “প্রায় এক সপ্তাহ আগে আমার বোনকে তার স্বামী নির্মমভাবে মারধর করে। এরপর থেকেই সে অসুস্থ ছিল। গতকাল হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে মারা যায়।” তিনি এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।
এ বিষয়ে কাশিমপুর থানার এসআই শফিক জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে এবং অভিযুক্ত স্বামী শরীফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।