1. admin@sangbadbangladesh.com : admin :
  2. jamal@sangbadbangladesh.com : Jamal :
  3. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাভারের আশুলিয়ায় পাওনাদারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ সাতক্ষীরার নলতায় শিক্ষাঙ্গন থেকে আনোয়ারুল হকের স্মৃতি বিজড়িত বিদায়  শাহজালাল বিমানবন্দরে অঙ্গীভূত আনসার সদস্যদের জন্য বিশেষ বাস সেবা চালু কারারক্ষী ও আইনজীবীর ছদ্মবেশে প্রতারণা: সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা উপলক্ষে ডিএমপির গণবিজ্ঞপ্তি গাজীপুরে দুই অবৈধ ব্যাটারি কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা ২ লাখ টাকা আনসারের তৎপরতায় হাতিরঝিল লেক থেকে চার্জারসহ ৪৮ রাউন্ড পিস্তলের গুলি উদ্ধার* ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার দুই কর্মকর্তার পদায়ন যানজট নিরসনে কেরানীগঞ্জে পরিবহন সার্ভিস স্থানান্তরের উদ্যোগ, এমারেল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে জিএমপির ট্রাফিক

 ৭ সন্তান নিয়ে অনাহারে এক মা, নেই মাথা গোঁজার ঠাঁই

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০
  • ৩০৬ বার পড়া হয়েছে

জঙ্গলে ঘেরা খালের ধারে নড়বড়ে বাড়িতে ৬ সন্তান নিয়ে বসবাস রাবেয়া খাতুনের। বাড়িতে প্রবেশের রাস্তা নেই। নেই বাড়িতে বিদ্যুৎ সযোগ। অনিরাপত্তায় বসবাস। একে একে ছয় মেয়ে সন্তানের পর এক ছেলে সন্তান যেন এই দুঃখি পরিবারের সব কষ্ট ভুলিয়ে দিয়েছে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের হতদরিদ্র এই পরিবারের বসবাস। স্বামী শামসুল ইসলামের কিছুই নেই। পিতার দেওয়া ভিটেবাড়িতে ৭ সন্তান নিয়ে থাকেন রাবেয়া খাতুন। অতি কষ্টের সংসার তার। প্রায় দিন ঘরে খাবার থাকে না। ৭ সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিতে হিমশিম খান দিনমজুর শামসুল। সকালে কাধে গামছা, হাতে দা নিয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে নারকেল গাছ সাফ করেন। কোন দিন কাজ হয় আবার কোন দিন হয় না। এদিকে স্ত্রী রাবেয়া খাতুন পিতার বাড়িতেই বাচ্চাকাচ্চা সামলান। কখনো সন্তানের মুখে দুমুঠো ভাত তুলে দিতে পরের বাড়িতে ঝি এর কাজ করেন। রাবেয়া খাতুন জানান, আগে লক্ষিপুর আবাসন প্রকল্পের ঘরে বসবাস করতেন। এখন আর করেন না। এদিকে আম্ফান ঝড়ে তাদের বসবাস করার একমাত্র ঘরটি ভেঙ্গে গেছে। সন্তান নিয়ে নিজ ঘরে বসবাস আর বেঁচে থাকার লড়াই করতে করতে পরিবারটি এখন ক্লান্ত। তাদের দূরাবস্থার জানতে পেরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গান্না ইউনিয়ন বিচিত্রা রাবেয়ার দুগ্ধপোষ্য শিশুকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাবার পৌছে দিয়েছে। তবে এই সহায়তা পরিবারটির জন্য খবুই অপ্রতুল। বেঁচে থাকার জন্য তাদের সরকারী সহায়তা প্রয়োজন। রাবেয়া খাতুন জানান, “আমাগের ঘড়ডা যদি কেও ভাল করে দিত, আর কিছু নগদ টাকা পাইতাম তবে ৭ সন্তান নিয়ে বাঁচতে পারতাম। এ ব্যাপারে গান্না ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাছির উদ্দীন মালিথা জানান, এমন পরিবারের খোঁজ আমাকে কেও দেয়নি। কারণ আমি গান্না ইউনিয়নের প্রতিটি অসহায় দুস্থ পরিবারকে সরকারী কার্ড করে দিয়েছি। তিনি পরিবারটি খুজে বের করে আর্থিক সহায়তা করবেন বলে জানান।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2026 SangbadBangladesh :: All rights reserved.
Design BY POPULAR HOST BD
error: কপি বাদ দিয়া খাইটা খাও! নিজে লিখতে শিখো, কপি করা নিষেধ।।