1. admin@sangbadbangladesh.com : admin :
  2. jamal@sangbadbangladesh.com : Jamal :
  3. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী কাশিমপুর সরকারি খাস জমি জবরদখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ ‎কাশিমপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত । ‎ কাশিমপুরে মাদক উদ্ধার নিয়ে প্রশ্নের পর প্রশ্ন উদ্ধার বেশি, মামলায় দেখানো কম; স্বচ্ছতা নিয়ে উঠছে নানা অভিযোগ এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর ঈদুল আযহা উপলক্ষে নিরাপত্তার চাদরে সাভার-আশুলিয়া শুটার সাদ্দামের ছায়ায় রক্তাক্ত জনপদ; জামিন পেলেই ফের শুরু হতে পারে মৃত্যু মিছিল আশুলিয়ায় কারখানায় প্রকাশ্যে মারধর; কোয়ালিটি ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে শ্রমিকরা ১৫ হাজার টাকায় মুক্তি, অভিযোগ তুলতে চাপ; আশুলিয়ায় এসআই আব্দুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে উৎকোচ গ্রহণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ সঞ্চয়ের টাকা ফেরত চাওয়ায় গ্রাহককে মারধর আশুলিয়ায় কথিত সমবায় সমিতির তাণ্ডব

 ৭ সন্তান নিয়ে অনাহারে এক মা, নেই মাথা গোঁজার ঠাঁই

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০
  • ১৬৮ বার পড়া হয়েছে

জঙ্গলে ঘেরা খালের ধারে নড়বড়ে বাড়িতে ৬ সন্তান নিয়ে বসবাস রাবেয়া খাতুনের। বাড়িতে প্রবেশের রাস্তা নেই। নেই বাড়িতে বিদ্যুৎ সযোগ। অনিরাপত্তায় বসবাস। একে একে ছয় মেয়ে সন্তানের পর এক ছেলে সন্তান যেন এই দুঃখি পরিবারের সব কষ্ট ভুলিয়ে দিয়েছে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের হতদরিদ্র এই পরিবারের বসবাস। স্বামী শামসুল ইসলামের কিছুই নেই। পিতার দেওয়া ভিটেবাড়িতে ৭ সন্তান নিয়ে থাকেন রাবেয়া খাতুন। অতি কষ্টের সংসার তার। প্রায় দিন ঘরে খাবার থাকে না। ৭ সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিতে হিমশিম খান দিনমজুর শামসুল। সকালে কাধে গামছা, হাতে দা নিয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে নারকেল গাছ সাফ করেন। কোন দিন কাজ হয় আবার কোন দিন হয় না। এদিকে স্ত্রী রাবেয়া খাতুন পিতার বাড়িতেই বাচ্চাকাচ্চা সামলান। কখনো সন্তানের মুখে দুমুঠো ভাত তুলে দিতে পরের বাড়িতে ঝি এর কাজ করেন। রাবেয়া খাতুন জানান, আগে লক্ষিপুর আবাসন প্রকল্পের ঘরে বসবাস করতেন। এখন আর করেন না। এদিকে আম্ফান ঝড়ে তাদের বসবাস করার একমাত্র ঘরটি ভেঙ্গে গেছে। সন্তান নিয়ে নিজ ঘরে বসবাস আর বেঁচে থাকার লড়াই করতে করতে পরিবারটি এখন ক্লান্ত। তাদের দূরাবস্থার জানতে পেরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গান্না ইউনিয়ন বিচিত্রা রাবেয়ার দুগ্ধপোষ্য শিশুকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাবার পৌছে দিয়েছে। তবে এই সহায়তা পরিবারটির জন্য খবুই অপ্রতুল। বেঁচে থাকার জন্য তাদের সরকারী সহায়তা প্রয়োজন। রাবেয়া খাতুন জানান, “আমাগের ঘড়ডা যদি কেও ভাল করে দিত, আর কিছু নগদ টাকা পাইতাম তবে ৭ সন্তান নিয়ে বাঁচতে পারতাম। এ ব্যাপারে গান্না ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাছির উদ্দীন মালিথা জানান, এমন পরিবারের খোঁজ আমাকে কেও দেয়নি। কারণ আমি গান্না ইউনিয়নের প্রতিটি অসহায় দুস্থ পরিবারকে সরকারী কার্ড করে দিয়েছি। তিনি পরিবারটি খুজে বের করে আর্থিক সহায়তা করবেন বলে জানান।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2026 SangbadBangladesh :: All rights reserved.
Design BY POPULAR HOST BD
error: কপি বাদ দিয়া খাইটা খাও! নিজে লিখতে শিখো, কপি করা নিষেধ।।